ব্যাংকে সারাদিন… মাভৈ জাতীয় সঞ্চয় পরিদপ্তর!
5:26 pm in Other by Suhreed Sarkar
প্রিয়জনদের পীড়াপিড়িতে প্রথমবার জাতীয় সঞ্চয়পত্র কিনেছিলাম। তারপর বেশ কয়েকমাস চলে গেছে কিন্তু আর কোনো খোঁজ নেইনি। হঠাৎ মনে হলো ইতোমধ্যে দুই কিস্তির লভ্যাংশ পাওনা হয়ে গেছে। তাই আজ সকালে উঠে গেলাম সেই লভ্যাংশ উঠাতে। গিয়ে দেখি অনেক ভিড়। সেই অফিসের সহকারীকে জিজ্ঞেস করলাম, কীভাবে এই টাকা উঠাতে হয়? সে বেশ উৎসাহী হয়ে বলল কোনো সমস্যা না, দেন আমারে। এই বলে সে আমার সঞ্চয়পত্রের কুপন রেখে দিল এক গাদা কুপনের নিচে।
যে ভদ্রলোক সেসব কুপন ক্লিয়ার করার দায়িত্বে ছিলেন তিনি একটু একটু করে ক্লিয়ার করছেন। দেখলাম প্রতিটি কুপনের জন্য একটি ভাউচার তৈরি করতে প্রায় ৫ মিনিট রেখে যাচ্ছে। ভদ্রলোকের দোষ দেব না, প্রতিটি কাজই করতে হচ্ছে হাতে লিখে। দুটি খাতায় এন্ট্রি দেয়া, কুপন যাচাই করা, সেগুলির জন্য ভাউচার লেখা। সকাল সাড়ে দশটায় সেখানে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমার কুপনের ভাউচার তৈরি হতে দুপুর বারোটা বেজে গেল। একবার ভেবেছিলাম চলে যাই, কিন্তু একটু জেদ চেপে গেল শেষ দেখার জন্য। এর মধ্যে প্রায় এক ঘন্টা বিদ্যুত ছিল না। ছোট্ট একটি চার্জার লাইট জ্বালিয়ে তখন কাজ করা হচ্ছিল। ওখান কর্মচারীদের ধন্যবাদ প্রাপ্য এজন্যই। বেসরকারী অফিসে এসি ও সার্বক্ষণিক জেনারেটর ব্যবস্থার মধ্যে থেকে অভ্যস্ত যারা সরকারী অফিসের দক্ষতা নিয়ে ব্যঙ্গ করেন তাদের এভাবে কাজ করতে লাগিয়ে দিতে হবে। তখন দেখা যাবে কত ধানে কত চাল!
দুপুর বারোটায় ভাউচার তৈরি হয়ে গেল। পাশেই সোনালি ব্যাংক সেখান থেকে টাকা নিতে হবে। আরো অনেকের সাথে সেখানে গেলাম। ওখানকার ভদ্রলোক যেভাবে কাজ করছেন তাতে মনে হলো উনি বিশেষ অনুগ্রহ প্রদর্শন করছেন আগত সবাইকে। কাজের চেয়ে অকাজে বেশি আগ্রহ তার। তার শম্বুকগতির কারণে বেজে গেল একটা। তখন তিনি ঘোষণা করলেন এখন নামাজের বিরতি আপনার আধা ঘণ্টা পর আসেন।
আধা ঘণ্টা পরও তার দেখা নেই। এলেন ৪৫ মিনিট পর। তারপর সবাইকে বললেন আপনাদের এসব এখন করা যাবে না। কিছু সমস্যা হয়েছে।
সবারই মনে হয় ধৈর্য্যের বাধ ভেঙে গেছে ততক্ষণে।অনেকেই চিৎকার শুরু করল, গালাগালি শুরু করল । এর ফল দ্রুতই পাওয়া গেল। ভদ্ররোক আপনমনে আজ করে যেতে লাগলেন। প্রায় ১.৪৫ মিনিটে একটি টোকেন পেলাম। সেটি নিয়ে দাঁড়াতে হবে ক্যাশ কাউন্টারে।
ক্যাশ কাউন্টারে আরেক বিপত্তি। সেখানকার ভদ্রলোক তখনো সিটে আসেননি। নামাজ পড়তে গেছেন। সবাই লাইনে দাঁড়িয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তার নামাজ শেষ হওয়ার জন্য। সেই কাউন্টারের সামনেই অফিসের নির্দেশ – নামাজের বিরতি ১টা থেকে ১ টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত, মাত্র পনের মিনিটের। কিন্তু তিনি প্রায় এক ঘন্টা কাটিয়ে আসলেন। তখন ঘড়িতে ২টা বাজতে পাঁচ মিনিট বাকি।
টাকা পেয়ে সোনালি ব্যাংক থেকে বেরুলাম ২ টা ১৫ মিনিটে। বেরুনোর আগে দেখলাম ব্যানার টাঙানো আছে – সোনালি ব্যাংক নাকি উদ্ভাবনী ব্যাঙ্কিকের অগ্রপথিক!








VoIP is a hot topic in Bangladesh, especially when we hear that many people are using VoIP and many ISPs are illegally involved in this business. In local newspapers we often hear about VoIP banning news, but this could be of other kinds of news. VoIP is essential now a days and everybody should know about it. I’ll say – being a citizen of internet – we must be allowed to use VoIP, and get news on VoIP.


