‘Paa’ কি শিশুতোষ চলচ্চিত্র?

কয়েক দিন আগে পা চলচ্চিত্রটি দেখলাম। এখানে অমিতাভ বচ্চন অভিনয় করেছেন ১৩ বছরের এক বালকের চরিত্রে, যে কি না প্রোজেরিয়া রোগে আক্রান্ত। এই রোগের বৈশিষ্ট্য হলো ১২-১৩ বছরের বাচ্চাকে দেখতে ৭০-৮০ বছরের বয়স্ক মনে হয়। এই রোগ হলে কম মানুষই ১৩ বছরের বেশি বাঁচে। অরো নামের এই বালকের হঠাৎ করেই সাক্ষাৎ হয় তার জন্মদাতার সাথে। জন্মদাতা বলছি এ কারণে যে সে তার বাবা নয়। বিবাহপূর্বকালীন সম্পর্কের কারণে এবং জন্মদাতার অনিচ্ছাতেই জন্ম হয়েছে অরোর। তার মা-ই এতদিন তাকে মানুষ করেছে। ছবির পুরো কাহিনী এই জটিলতা নিয়ে। যেখানে বিবাহপূর্ব সম্পর্ক এবং তার পরিণামকে সামনে নিয়ে আসা হয়েছে।
এই ছবিটি কী করে শিশুতোষ চলচ্চিত্র হয় বুঝে উঠতে পারছি না। আমরা কি শিশুদের শেখাতে চাইছি বিবাহপূর্ব যৌন সম্পর্ক করা যেতে পারে যদি কনডম ব্যবহার করা হয়? অরোর জন্মদাতা, যে একজন রাজনীতিবিদও বটে, সাংবাদিকদেরে কাছে এ কথাই বলেছে:’আমার ভুল হলো আমি তখন কনডম ব্যবহার করিনি, আমার কনডম ব্যবহার করা উচিত ছিল।’
আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবে এটিকে অন্তর্ভূক্ত করার আর কোনো কারণ আছে কি?


